Hello,

Sign up to join our community!

Welcome Back,

Please sign in to your account!

Forgot Password,

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Sorry, you do not have a permission to ask a question, You must login to ask question. Please subscribe to paid membership

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

  • 0
হোসাইন আলী
Enlightened

ওয়েবসাইট থেকে আয় করার উপায় ২০২২

ওয়েবসাইট থেকে আয় করার উপায় ২০২২

Related Questions

You must login to add an answer.

1 Answer

  1. আসসালামু আলাইকুম। আজ আমার আলোচনা করব কিভাবে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করা যায়। বর্তমানে অনেকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে লাখ লাখ টাকা আয় করেছে। কিন্তু তারা কিভাবে করে আমরা অনেকেই জানিনা। আজ আমি আলোচনা করব কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করতে হয়।Read more

    আসসালামু আলাইকুম। আজ আমার আলোচনা করব কিভাবে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করা যায়। বর্তমানে অনেকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে লাখ লাখ টাকা আয় করেছে। কিন্তু তারা কিভাবে করে আমরা অনেকেই জানিনা। আজ আমি আলোচনা করব কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করতে হয়।

     

    ওয়েবসাইট থেকে আয়


     

    কিভাবে ফ্রিতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন

    বর্তমানে ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য অনেক টুল আছে। তবে সব টুল ফ্রী না বর্তমানে ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরি করার সবথেকে জনপ্রিয় টুল ব্লগার। ব্লগার দিয়ে ডোমেইন এবং হোস্টিং খরচ ছাড়াই ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। তাছাড়া ব্লগার লে আউট সিস্টেম এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে প্রফেশনাল লুক দেয়া যায়। ওয়েবসাইট তৈরি করার আরেকটি জনপ্রিয় টুল হল ওয়ার্ডপ্রেস। ওয়ার্ডপ্রেস একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সিএমএস ( কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ) টুল। ওয়ার্ডপ্রেস ফ্রী হলেও ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে ডোমেইন এবং হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়‌। ওয়ার্ডপ্রেস এর সাহায্যে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা নতুনদের ক্ষেত্রে কষ্টের। তবে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। আবার ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার এর মূল উদ্দেশ্য হলো এসইও। ওয়াডপ্রেস এর সাহায্যে খুব সুন্দর এসইও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট তৈরি করা যায়। আবার ওয়ার্ডপ্রেসের আরেকটি বড় সুবিধা হল প্লাগিন। তবে নতুনদের ক্ষেত্রে ব্লগার ব্যবহার করা সবথেকে ভালো। আবার গুগল একমাত্র ব্লগারের সাবডোমেইনে এডসেন্স অনুমোদন দেয় তাই যাদের বাজেট কম এবং নতুন তাদের ক্ষেত্রে ব্লগার সবথেকে সেরা মাধ্যম।

    আরোও পড়ুন

    ফেসবুক থেকে আয় করার উপায় ২০২২

    ওয়েবসাইট থেকে আয় করার সকল উপায়

    ১. এডসেন্স

    ওয়েবসাইট থেকে আয় করার সবথেকে জনপ্রিয় উপায় গেল এডসেন্স। বর্তমানে অ্যাডসেন্স পৃথিবীর সবথেকে জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। এডসেন্সের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অনলাইনে আয় করা যায়। তবে অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল খুব সহজে পাওয়া যায় না। এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে হলে আপনাকে এডসেন্সের কিছু পলিসি বা নিয়ম মেনে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। 

     

    এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে হলে অবশ্যই আপনার কন্টেন্ট ইউনিক হতে হবে। ওয়েবসাইটে আগে থেকে কোনো প্রকার অন্যান্য এড নেটওয়ার্কের বিজ্ঞাপন থাকা যাবে না। ওয়েবসাইটের ডিজাইন এসইও ফ্রেন্ডলি হতে হবে। আবার ওয়েবসাইটের স্পিড কম থাকলেও বর্তমানে এডসেন্স এপ্রুভাল দেওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। এডসেন্সের মাধ্যমে প্রধানত দুই ভাবে আয় হয়। প্রথমটি হলো সিপিসি অর্থাৎ বিজ্ঞাপনে যে পরিমাণ ক্লিক পড়বে সেই অনুযায়ী টাকা। দ্বিতীয়টি হলো ইম্প্রেশন অর্থাৎ বিজ্ঞাপন যত লোকের সামনে ভেসে উঠবে সেই অনুযায়ী টাকা। 

    তবে সিপিসি এর সাহায্যে সবথেকে বেশি টাকা আয় হয়। তবে সিপিসি কোনো ওয়েবসাইটে কম এবং কোনো ওয়েবসাইটে বেশি থাকে। সিপিসি বাড়ানোর জন্য এড প্লেসমেন্ট ভালো ভাবে করতে হবে এবং যেই কিওয়ার্ডে সিপিসি বেশি সেই কিওয়ার্ড নিয়ে আর্টিকেল লিখতে হবে। এখন প্রশ্ন হতে পারে এডসেন্সের টাকা কিভাবে আপনার হাতে পৌঁছাবে? প্রথমে আপনার এডসেন্স একাউন্টে ১০ ডলার পুর্ন হলে এডসেন্স থেকে আপনার ঠিকানাই পোস্ট অফিসের মাধ্যমে একটি এড্রেস ভেরিফিকেশন কোড যাবে। এভাবে আপনি মোট তিনবার চিঠি না এলে এড্রেস ভেরিফাই করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। 

    চতুর্থ বারের বেলাই আপনি জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে ভেরিফাই করে নিতে পারবেন। এড্রেস ভেরিফাই হয়ে গেলে এরপর আপনার একাউন্টে যখন ১০০ ডলার হয়ে যাবে তখন আপনি সেই টাকা কোনো ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে তুলে নিতে পারবেন। এভাবেই এডসেন্সের টাকা আপনার হাতে আসবে।

    ২. স্পন্সর

    ওয়েবসাইটে যদি অনেক ভিজিটর থাকে তাহলে স্পন্সর নিয়ে আয় করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে ওয়েবসাইটে প্রচুর ভিজিটর থাকতে হবে। তাছাড়া যে স্পন্সর দেবে সে যেনো আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে তার একটি মাধ্যম থাকতে হবে। নতুন কোম্পানি গুলো তাদের পন্য প্রচার করার জন্য স্পন্সর দিয়ে থাকে। 

     

    এর জন্য তারা অনেক টাকা দিতেও রাজি থাকে। আপনার ওয়েবসাইটে যদি প্রচুর ভিজিটর থাকে তাহলে আপনার স্পন্সর পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। তাছাড়া আপনি ম্যানুয়ালি অনেক স্পন্সর অফার ছাড়তে পারেন এর ফলে অনেকে আপনার ওয়েবসাইটে স্পন্সর দিবে।

    ৩. আফিলিয়েট মার্কেটিং

    ওয়েবসাইট থেকে আয় করার সবথেকে জনপ্রিয় আরেকটি উপায় হলো আফিলিয়েট মার্কেটিং। ভালো ভাবে আফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারলে অনেক টাকা আয় করা যায়। এখন প্রশ্ন হতে পারে আফিলিয়েট মার্কেটিং কি? ধরুন একজন মুদি ব্যবসায়ী একটি কোম্পানির পন্য বিক্রি করতে সাহায্য করলো। এর জন্য সেই কোম্পানি অবশ্যই তাকে কমিশন দেবে। 

     

    এটাই মুলত আফিলিয়েট মার্কেটিং। বর্তমানে অনেক আফিলিয়েট মার্কেটিং নেটওয়ার্ক আছে। সেগুলোর মধ্যে envato elements সবথেকে জনপ্রিয়। envato elements একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস যেখানে বিভিন্ন ধরনের থিম, প্লাগইন, ফটো, ভিডিও, মিউজিক, গ্রাফিক্স কিটস ইত্যাদি বিক্রি হয়। এছাড়াও বর্তমানে আরোও অনেক আফিলিয়েট মার্কেটিং নেটওয়ার্ক আছে যেগুলোর মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করা যায়।

    ৪. শর্টলিংক

    বিশেষ করে যাদের ডাউনলোড ওয়েবসাইট তারা শর্টলিংকের মাধ্যমে আয় করতে পারেন। শর্টলিংক লিংক হলো বড় লিংক ছোট করার একটি মাধ্যম। বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো শর্টলিংক সার্ভিস দিয়ে থাকে। তবে তার মধ্যে কিছু ওয়েবসাইট শর্টলিংকের জন্য পেমেন্ট করে। আপনার শর্ট করা লিংকে যত ক্লিক পড়বে সে অনুযায়ী শর্টলিংক সাইট গুলো পেমেন্ট করে। 

     

    বর্তমানে adf.ly একটি জনপ্রিয় এবং লেজিট শর্টলিংক ওয়েবসাইট। ডাউনলোড সাইটের ক্ষেত্রে একজন ভিজিটর অবশ্যই সেই ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করবে। আপনি যদি ঐ ডাউনলোড লিংকটি শর্টলিংকের মাধ্যমে শর্ট করেন তাহলে সেই শর্টলিংকে ক্লিক পড়বে অর্থাৎ আপনার আয় হবে। এভাবেই শর্টলিংকের মাধ্যমে আয় হয়।

    ৫. সেফলিংক

    এটিও ডাউনলোড ওয়েবসাইট থেকে আয় করার একটি সেরা মাধ্যম। সেফলিংকের মাধ্যমে একটি লিংকে ক্লিক করলে সেটি বিভিন্ন ওয়েব পেজে রিডাইরেক্ট করে নিয়ে যায়। এখন আপনার যদি একটি এডসেন্স এপ্রুভ ওয়েবসাইট অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক দিয়ে মনিটাইজড ওয়েবসাইট থাকে তাহলে সেসব ওয়েবসাইটে সেফলিংকের মাধ্যমে ভিজিটর আনতে পারবেন। 

     

    যেহেতু ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আসবে তাই আপনার আয় হবে। বর্তমানে অনেক ডাউনলোড ওয়েবসাইট আছে যারা সেফলিংকের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করে।

    ৬. সিপিএ (ক্লিক পার কস্ট) মার্কেটিং

    বর্তমানে অনলাইনে সহজে আয় করার উপায়ের মধ্যে সিপিএ মার্কেটিং অন্যতম। এই মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট আপনাকে কিছু টাস্ক দেবে। সেই টাস্ক পুরন করতে পারলে আপনি তার বিনিময়ে টাকা পাবেন। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি অনেক ধরনের টাস্ক বা অফার পুরন করতে পারবেন। বর্তমানে সিপিএ মার্কেটিং প্রচুর জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। 

     

    এর প্রধান কারণ ছোট ছোট অফার পুরন করে অনেক টাকা আয় করা যায়। আপনার যদি ওয়েবসাইটে কিছু পরিমাণ অর্গানিক ভিজিটর ( যেসব ভিজিটর প্রতিদিন আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে ) থাকলে আপনি সিপিএ মার্কেটিং করার মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন।

    যদি আর্টিকেলটিতে কোনো ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং এই আর্টিকেলটি সমন্ধে কোনো প্রশ্ন বা মন্তব্য থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।

    See less